মাস্কিং এসএমএস কী?
মাস্কিং এসএমএসে প্রেরকের জায়গায় একটি নাম দেখা যায় — যেমন YOURBRAND। গ্রাহক মেসেজ খুলেই বুঝে যান কে পাঠিয়েছে। এই নামটিকে বলে সেন্ডার আইডি বা মাস্ক; এটি সর্বোচ্চ ১১ অক্ষরের হতে পারে এবং মোবাইল অপারেটরের অনুমোদন লাগে, সাধারণত ১–৩ কর্মদিবসে।
নন-মাস্কিং এসএমএস কী?
নন-মাস্কিং এসএমএসে প্রেরকের জায়গায় একটি মোবাইল নম্বর দেখা যায়। কোনো অনুমোদনের ঝামেলা নেই, অ্যাকাউন্ট চালু হলেই পাঠানো যায়, আর খরচও কম। OTP, অ্যালার্ট বা ভেতরের নোটিফিকেশনের জন্য এটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
পাশাপাশি তুলনা
| বিষয় | মাস্কিং | নন-মাস্কিং |
|---|---|---|
| প্রেরক হিসেবে দেখায় | আপনার ব্র্যান্ড নাম | একটি মোবাইল নম্বর |
| দাম (প্রতি এসএমএস) | ৳০.৪৮ থেকে, MNP আলাদা | ৳০.২৮ থেকে, MNP সহ |
| অনুমোদন | লাগে, ১–৩ কর্মদিবস | লাগে না |
| এককালীন ফি | ৳৫০০ প্রতি সেন্ডার আইডি | নেই |
| সবচেয়ে ভালো | অর্ডার, বিল, অফার | OTP, অ্যালার্ট |
কখন কোনটি বেছে নেবেন
- নন-মাস্কিং নিন — OTP, লগইন কোড, ভেতরের অ্যালার্ট বা যেখানে খরচ কম রাখা জরুরি।
- মাস্কিং নিন — অর্ডার কনফার্মেশন, বিল রিমাইন্ডার, অফার বা যেকোনো মেসেজ, যেখানে গ্রাহকের বিশ্বাস জরুরি।
- দুটোই নিন — অনেক ব্যবসা OTP-তে নন-মাস্কিং আর গ্রাহককে পাঠানো বাকি মেসেজে মাস্কিং ব্যবহার করে।
খরচের একটি উদাহরণ
ধরুন মাসে ২০,০০০টি এসএমএস পাঠাবেন। নন-মাস্কিংয়ে খরচ ২০,০০০ × ৳০.৩২ = ৳৬,৪০০, MNP চার্জসহ। মাস্কিংয়ে ২০,০০০ × ৳০.৫০ = ৳১০,০০০, সাথে MNP চার্জ আলাদা, আর নতুন সেন্ডার আইডির জন্য একবার ৳৫০০ মাস্কিং ফি।
মনে রাখবেন, রেট প্রতি এসএমএস পার্টের। বাংলায় ৭০ অক্ষরের বেশি লিখলে মেসেজ দুই পার্টে যায়, তাই ছোট আর পরিষ্কার মেসেজ লিখলে খরচ কমে।
শেষ কথা
দ্রুত আর কম খরচে শুরু করতে চাইলে নন-মাস্কিং দিয়ে শুরু করুন। গ্রাহকের কাছে ব্র্যান্ড নাম দেখানো জরুরি হলে পাশাপাশি মাস্কিংয়ের আবেদন করে রাখুন — কাগজপত্রে আমরা ফ্রি সাহায্য করি।